স্মরণে শপথে ১৫ আগস্ট শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

“স্মরণে শপথে ১৫ আগস্ট” শীর্ষক এক আলোচনা সভা ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এ. কে. আজাদের সভাপতিত্বে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ফ্লোর সিনেট ভবনে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ।
সূচনা বক্তব্য রাখেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এড. মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড ছিল একটি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড। এই হত্যাকান্ডের মূল লক্ষ্য ছিলো মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে পরিচালিত রাষ্ট্রের পরিবর্তন এবং সেই আদর্শের মূল স্থপতিকে স্বপরিবারে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছি তারপর থেকেই এই রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড ছিল একটি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড। এই হত্যাকান্ডের মূল লক্ষ্য ছিলো মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে পরিচালিত রাষ্ট্রের পরিবর্তন এবং সেই আদর্শের মূল স্থপতিকে স্বপরিবারে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছি তারপর থেকেই এই রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি ১৯৭২ সাল থেকে দেশে এবং দেশের বাইরে বসে এই ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যা ঘাতকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এবং মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক মুক্ত দলিল দস্তাবেজ পড়লে স্পষ্ট বোঝা যায়। বক্তারা বলেন আজ ১৯ শে আগস্ট একদিন পর ২১ শে আগস্ট। ২১ শে আগস্ট ছিল আরেকটি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড। সেই হত্যাকান্ডের মধ্য থেকে ৭৫ পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটু একটু করে গড়ে উঠা মুজিবের চেতনা এবং সেই চেতনা ও আদর্শের নেত্রী এবং দলকে নিশ্চিন্ন করে দেয়া। সুতরাং এই ভয়াবহ রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করাই হচ্ছে আজকের আমাদের অঙ্গীকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, গৌরব এবং অবদানের সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্ক এতবেশী যা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতিদিন বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করতে হয়। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হলেই তার মনে বঙ্গবন্ধুকে জানার আগ্রহ যাতে তৈরী হয় সে ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে উদ্যোগ নিবে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আমরা সেই কাজে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবো।

Pin It on Pinterest