ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র

২৬ আগস্ট ২০০৫ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসিত এবং অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে যুগোপযোগী করার লক্ষে অনুষ্ঠিত সংশ্লিষ্ট বার্ষিক সাধারন সভায় সংশোধিত।

ভূমিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর কয়েকজন প্রাক্তন কৃতি ছাত্রের উদ্যোগে ও ফলপ্রসু প্রচেষ্টায় ১৯৪৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ওল্ড বয়েজ এসোসিয়েশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ সালে অ্যাসোসিয়েশনের নাম পরিবর্তন করিয়া ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ওল্ড স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ করা হয়। সর্বশেষ, ১৯৬০ সালে ইহার নামকরণ করা হয় ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’, যাহা এখনো বলবৎ আছে। পরবর্তী কালে, অ্যাসোসিয়েশনের জন্য প্রণয়নকৃত সংবিধান এবং নিয়মাবলী ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত গ্র্যাণ্ড অ্যাসেম্বলী কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। অতঃপর ১৯৮৩ ও সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে গ্র্যাণ্ড অ্যাসেম্বলীতে গৃহীত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের (সংবিধান ও নিয়মাবলীর) ভিত্তিতেই অত্র অ্যাসোসিয়েশন অদ্যাবধি পরিচালিত হইয়া আসিতেছে। গত ১৪ এপ্রিল ১৯৭৯ তারিখে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অত্র অ্যাসোসিয়েশন ১৯৪৯ সালে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস কর্তৃক ‘সার্টিফিকেট অব রেজিস্ট্রেশন সোসাইটিজ অ্যাক্ট ১৮৬০’-এর XXIধারা অনুযায়ী ১৭ মে ১৯৭৯ সালে নিবন্ধিত। নিবন্ধন নং এস-৬৫৮/৩৪ অব ১৯৭৯, তারিখ ১৪-৫-১৯৭৯, দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ এ ঘটনা অন্তরালে থাকিয়া যায়। অনেক পরিশ্রম করিয়া বর্তমান কমিটি উহা উদ্ধার করে এবং রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত সমস্ত কাগজপত্র হালনাগাদ করে।

 

যুগের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বর্তমানে যে গঠনতন্ত্র বলবৎ আছে তাহা সেই অভিপ্রায়ে যথেষ্ট নহে। উপরন্তু নানাবিধ স্ব-বিরোধীতা ও জটিলতা দূরীকরণার্থে এই গঠনতন্ত্রের সংশোধন, সংস্কার ও যুগপোযোগী করা অনিবার্য হইয়া পরে। সেই অভিপ্রায়ে অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি এবং ২০০৪-এর বার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি জনাব নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে গঠিত গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি নির্বাহী কমিটির বিবেচনার জন্য একটি খসড়া গঠনতন্ত্র উপস্থাপন করে। উক্ত খসড়া গঠনতন্ত্র, নির্বাহী কমিটি পরবর্তীকালে গঠনতন্ত্র সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ এবং অ্যাসোসিয়েশনের পূর্বতন কার্যনির্বাহী কমিটিসমূহের সভাপতি, মহাসচিব, কোষাধ্যক্ষসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি বর্ধিত সভায় এ ব্যাপারে বিচার বিশ্লেষণ করিয়া গৃহীত খসড়াটি আ্যালামনাই’র নিজস্ব ওয়েবসাইটে আরো মতামত গ্রহণের জন্য প্রদান করা হয় এবং সময়মত পুনঃরায় কার্যনির্বাহী কমিটির বিবেচনায় আনীত হয়।

 

বর্ণিত প্রেক্ষাপটে উপরিল্লিখিত সংশোধনী কমিটির প্রস্তাব ও সুপারিশমালার উপর প্রাপ্ত সকল মতামত বিবেচনা করিয়া একটি গ্রহণযোগ্য ও সুবিবেচিত গঠনতন্ত্র যা বহুকাল পর্যন্ত কার্যকরী থাকিতে পারিবে বলিয়া বিশ্বাস,তাহা কার্যনির্বাহী কমিটির একটি বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থাপন করা হয়। উক্ত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিশিষ্ট ও সম্মানিত সদস্য সর্বজনাব এ এম এ মুহিত, আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, আবদুল খালেক,সেলিনা খালেক,মুনিরা খান,আবদুস সাত্তার,এস এম ওবায়দুল্লাহ,মাহবুব তালুকদার প্রমূখ কিছু সুপরামর্শদান করেন ও কতিপয় সংশোধনী আনয়ন করেন। সেই সব সংশোধনী ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ২৬ আগস্ট ২০০৫ তারিখের বার্ষিক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

ধারা-১

নাম : ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’ (ডিইউএএ) ।

ধারা-২

প্রধান কার্যালয় : অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত হইবে। তবে, প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের বিভিন্ন শহরে এবং বিদেশে-এর শাখা খোলা যাইবে।

ধারা-৩

বর্তমান ঠিকানা : নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা, ঢাকা – ১০০০।

ধারা-৪

সংজ্ঞা : বিষয় ও প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অনুরূপ না হইলে এই গঠনতন্ত্রে;

  • ‘অ্যাসোসিয়েশন’ অর্থ ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

  • ‘অ্যালামনাই’ অর্থ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ন্যুনতম স্নাতক সার্টিফিকেট অর্জনকারী যে কোন ব্যক্তি, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাথে অধিভুক্ত ছিল বা আছে এমন কলেজ হইতে নির্ধারিত ডিগ্রিপ্রাপ্ত হইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে সার্টিফিকেট অর্জন করিয়াছেন। যাহা অ্যাসোসিয়েশনের বৃহত্তর স্বার্থে প্রয়োজনবোধে কার্যনির্বাহী কমিটি সময় প্রয়োজন বোধে পর্যালোচনা করিতে পারিবে।

  • ধারা ও বিধি অর্থ অত্র গঠনতন্ত্রের ধারা এবং এর অধীনে প্রণীত বিধি ও উপ-বিধিসমূহ।

  • বৎসর অর্থ ১ জানুয়ারি হইতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।

  • সদস্য অর্থাৎ- সাধারণ ও জীবন সদস্য।

  • সম্পত্তি অর্থ নগদ তহবিলসহ অ্যাসোসিয়েশনের সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ।

  • স্নাতক অর্থ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদ প্রাপ্ত ব্যক্তি।

  • কর্মচারী অর্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

ধারা-৫

আওতা : সমগ্র বাংলাদেশ। অন্যান্য যেকোন দেশে ইহার কার্যক্রম সমপ্রসারণ করা যাইবে।

ধারা-৬

মর্যাদা : ‘অ্যাসোসিয়েশন’ একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংস্থা।

ধারা-৭

উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অ্যালামনাইদের কল্যাণে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে ও লক্ষ্যে ‘অ্যাসোসিয়েশন’ পরিচালিত হইবে;

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভাবমুর্তি উন্নত করা;

  • অ্যালামনাইদের মধ্যে একতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপন এবং একে- অন্যকে যথাসম্ভব সাহায্য ও সহযোগিতা করা;

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -এর ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষা করা;

  • সাহায্য পাওয়ার যোগ্য ছাত্রদের সহায়তার জন্য একটি পৃথক তহবিল প্রতিষ্ঠা করা;

  • অ্যালামনাইদের জন্য সমাবেশ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশিবির, প্রদর্শনী ও আমোদ ভ্রমণের আয়োজন করা;

  • লাইব্রেরি, মিউজিয়াম, কনফারেন্স সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, গবেষণাগার, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা;

  • নিয়মিত ‘বুলেটিন’, সাময়িকী, পুস্তক মুদ্রণ ও বিভিন্ন প্রকাশনা প্রকাশ করা;

  • সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা;

  • দেশে ও বিদেশে অ্যালামনাইদের সংগঠন গড়ে তোলা;

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করা;

  • শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা;

  • উপরোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলী অর্জনে তথা অ্যালম্যামিটারের প্রতি দায় মোচনের ক্ষেত্রে সহায়ক এরূপ অন্য সকল কার্যাবলী সম্পাদন করা।

ধারা-৮

শাখা :

  • ন্যূনতম ২১জন অ্যালামনাই সমন্বয়ে বিদেশে অত্র প্রতিষ্ঠানের শাখা খোলা যাইবে। বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরে শাখাসমূহ খুলিতে হইলে ন্যূনতম ৫০ জন এবং জেলা শহরে শাখা খুলিতে হইলে ন্যূনতম ২৫জন অ্যালামনাই থাকিতে হইবে। তবে তাহাদের অবশ্যই ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের জীবন সদস্য হইতে হইবে।

  • স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শাখার নাম হইবে, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন,——– শাখা (স্থানের নাম)।

  • শাখাসমূহ নিজ নিজ স্থানে অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সাধনের জন্য কাজ করিবে।

  • শাখার বার্ষিক প্রতিবেদন ও সদস্যদের তালিকা অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিবের বরাবর নিয়মিত প্রেরণ করিতে হইবে।

  • শাখার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য বলিয়া গণ্য হইবেন। তবে,তাঁরা ইচ্ছা করিলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ মূল অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য হইতে পারিবেন।

  • ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন-এর জীবন ও সাধারণ সদস্যদের চাঁদা সংশ্লিষ্ট শাখা কর্তৃক অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ/ মহাসচিবের বরাবর প্রেরণ করিতে হইবে।

  • অনুমোদিত প্রকল্প-ব্যয় নির্বাহের জন্য অ্যাসোসিয়েশন শাখাসমূহের নামে অর্থ বরাদ্দ করিতে পারিবে।

  • অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাজে সংশ্লিষ্ট কোন কাজে যে কোন শাখা ডিইউএএ-এর কাছে অর্থ পাঠাইতে পারিবে।

  • সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি সম্পর্কিত বিধানগুলি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শাখাসমূহের কমিটি ও সাধারণ সভার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

  • বিদেশস্থ শাখাসমূহ বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম কেন্দ্রের অর্থাৎ ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন-এর সহিত সুষ্ঠু সমন্বয়পূর্বক পরিচালিত করিবে।

ধারা-৯

সদস্য : অ্যাসোসিয়েশনে নিম্নোক্ত তিন ধরনের সদস্য থাকিবে;

  • সাধারণ সদস্য : সাধারণ সদস্যপদ কেবলমাত্র ৪খ. ধারাতে সংজ্ঞায়িত অ্যালামনাইগণের জন্য নির্ধারিত থাকিবে।

  • জীবন সদস্য : অ্যাসোসিয়েশনের জীবন সদস্য কেবলমাত্র ৪খ. ধারাতে সংজ্ঞায়িত অ্যালামনাইগণের জন্য নির্ধারিত থাকিবে।

  • অনারারী সদস্য : কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনবোধে সেইসব নন-অ্যালামনাইদের, যাঁহারা অ্যাসোসিয়েশনের মর্যাদা ও স্বার্থের উন্নয়নে/পরিবর্ধনে সহায়ক, ডোনার, স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গকে অনারারী সদস্যপদ প্রদান করিতে পারিবে। তবে,অনারারী সদস্যদের কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে না।

ধারা-১০

সদস্যভুক্তির নিয়মাবলী : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর যেকোন অ্যালামনাই অত্র অ্যাসোসিয়েশনের সংবিধানের বিধি ও নিয়মাবলীর প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করিয়া নির্ধারিত ফি প্রদান পূর্বক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হওয়ার জন্য নির্ধারিত আবেদন ফর্মে মহাসচিব বরাবর আবেদন করিতে পারিবেন এবং আবেদন কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হইলেই আবেদনকারী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসাবে গণ্য হইবেন। শর্ত থাকে যে, কার্যনির্বাহী কমিটি যে কোন আবেদন গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখান করার সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষণ রাখে।

ধারা-১১

সদস্যদের অধিকার ও সুবিধা :

  • সাধারণ সভায় উপিস্থিত হওয়া, আলোচনায় অংশগ্রহণ ও প্রস্তাব পেশ করা।

  • বিধি মোতাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া।

  • এসোসিয়েশনের যে কোন কমিটিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।

  • ভোট প্রদান করা।

  • এসোসিয়েশনের কোন প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া।

  • সংগঠনের উন্নয়নের স্বার্থে পরামর্শদান বা নির্বাচন কমিশনে কাজ করা।

ধারা-১২

সদস্যপদ বাতিল : নিম্নলিখিত কারণে সদস্যপদ বাতিল হইবে, যদি কোন সদস্য-

  • স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন; সদস্যপদ ত্যাগে ইচ্ছুক সদস্যকে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র মহাসচিবের নিকট পাঠাইতে হইবে। কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করা যাইবে। এ বিষয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে; এরুপ পদত্যাগপত্র গৃহিত হইলে, সেই সদস্য আর কোনদিন সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন না।

  • সাধারণ সদস্যদের ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েশনের প্রাপ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধে ব্যর্থ হন;

  • যদি মৃত্যুবরণ করেন;

  • মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র, বিধি ও নিয়ম-শৃঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত হন অথবা কোন সদস্যের আচরণ বা কার্যকলাপ অ্যাসোসিয়েশনের মর্যাদা ও স্বার্থহানিকর বা ক্ষতিকর বলিয়া বিবেচিত হন;

  • আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হন।

ধারা-১৩

বহিস্কার : কোন সদস্য অ্যাসোসিয়েশন বা গঠনতন্ত্র বহির্ভূত বা অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিকর কোন কাজ করিলে এবং এতদ্বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করিয়া ও তাহার প্রাথমিক তদন্তপূর্বক কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে সাময়িকভাবে তাহার সদস্যপদ স্থগিত এবং অভিযোগ দণ্ডে অভিযোগ প্রমানিত হইলে তাহাকে বহিস্কার করা যাইবে।

ধারা-১৪

পুনঃ সদস্যভুক্তি : ধারা ১২ (ক) ব্যতিরিকে যে সকল সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হইবে তিনি/তাঁহারা কার্যনির্বাহী কমিটির শর্তপুরণ এবং ধারা ১০ অনুযায়ী সদস্যপদ পুনর্বহালের আবেদন করিলে কার্যনির্বাহী কমিটি তাহা বিবেচনা করিতে পারিবে। কার্যনির্বাহী কমিটির কোন কর্মকর্তা বা সদস্য পদত্যাগ/অব্যাহতি/অনাস্থা/বহিস্কার/অপসারণ/মৃত্যু বা অন্য কোন কারণে কার্যনির্বাহী কমিটির কোন পদ শূন্য হইলে নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে কো-অপশনের মাধ্যমে উক্ত শূন্যপদ পুরণ করিতে পারিবে।

ধারা-১৫

পৃষ্ঠপোষকমণ্ডলী ও উপদেষ্টামণ্ডলী :

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় পদাধিকার বলে ডিইউএ এ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন। তাছাড়া, প্রো-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয় পদাধিকার বলে অ্যাসোসিয়েশনের পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন।

  • অ্যালামনাইদের মধ্য হইতে বরেণ্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি যাঁহারা অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণে অবদান রাখিয়াছেন, তাঁহাদেরকেই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া যাইবে। এই মনোনয়ন তালিকা এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলী সময়ে সময়ে কার্যনির্বাহী কমিটি চূড়ান্ত করিবে। যাহা প্রয়োজনবোধে পুর্ণবিন্যাস করা যাইতে পারে।

ধারা-১৬

সাংগঠনিক কাঠামো :সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরূপ-

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় পদাধিকার বলে ডিইউএ এ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন। তাছাড়া, প্রো-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয় পদাধিকার বলে অ্যাসোসিয়েশনের পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন।

  • অ্যালামনাইদের মধ্য হইতে বরেণ্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি যাঁহারা অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণে অবদান রাখিয়াছেন, তাঁহাদেরকেই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া যাইবে। এই মনোনয়ন তালিকা এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলী সময়ে সময়ে কার্যনির্বাহী কমিটি চূড়ান্ত করিবে। যাহা প্রয়োজনবোধে পুর্ণবিন্যাস করা যাইতে পারে।

ধারা-১৭

সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বান :

  • সভাপতির নির্দেশে মহাসচিব দুই সপ্তাহের নোটিশে সাধারণ পরিষদের সভা আহবান করিতে পারিবেন। তবে, বার্ষিক সাধারণ সভা কমপক্ষে এক মাসের নোটিশে আহ্বান করিতে হইবে।

  • কোন জরুরি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতি সাধারণ পরিষদের সভা যে কোন সময়ের নোটিশে আহবান করার জন্য মহাসচিবকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।

ধারা-১৮

সাধারণ পরিষদের সভার কোরাম : সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা তথা কোরাম হইবে নূন্যপক্ষে ১০০ জন সদস্যের উপুস্থিতিতে, তবে নির্দিষ্ট তারিখে সভার জন্য নির্ধারিত সময়ের আধ ঘন্টার মধ্যে যদি প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না হন এবং অন্য কোন ঘোষণা না থাকে, উক্ত সাধারণ পরিষদের সভা মুলতবী গণ্য হইবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে একই দিনে, একই সময়ে ও একই স্থানে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হইবে। মুলতবী সভার পরবর্তী সপ্তাহের অধিবেশনের জন্য নির্ধারিত সময়ের আধ ঘন্টার মধ্যে সদস্যদের প্রয়োজনীয় উপস্থিতি না থাকিলেও উপস্থিত সদস্যদের লইয়াই সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং সেইক্ষেত্রে সভায় প্রয়োজনীয় উপস্থিতি আছে বলিয়া বিবেচিত হইবে। সাধারণ সভা যদি সদস্যদের তলবী সাধারণ সভা হয়, তবে অনুপুস্থিতির কারণে ঐ সভা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা-১৯

সাধারণ পরিষদের তলবী সভা : সাধারণ পরিষদের ন্যূনপক্ষে ৭৫% জন সদস্যের লিখিত তলবীপত্র অনুসারে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সভাপতি সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বান করিবেন। তলবীপত্র পাওয়ার তারিখ হইতে ১৫দিনের মধ্যে সভা না আহ্বান করিলে তলবী সভার জন্য পত্রে দস্তখতকারীগণ নিজেরাই যথাযথ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই কেবল সেই নির্দিষ্ট বিষয়টি নিষ্পত্তি করিবার জন্য সভা আহ্বান করিতে পারিবেন এবং উপস্থিত সদস্যদের তিন-চতুর্থাংশ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।

ধারা-২০

কার্যনির্বাহী কমিটি :

  • অ্যাসোসিয়েশনের একটি কার্যনির্বাহী কমিটি থাকিবে।

  • অ্যাসোসিয়েশনের ভোটার তালিকায় তালিকাভুক্ত সদস্যগণই কার্যনির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হইবেন এবং সংবিধানের ২৪ ধারা অনুসারে কিংবা পরবর্তীতে অন্য কোন সংশোধন না হইলে বার্ষিক সাধারণ সভায় তাহাদের পরবর্তী কর্মকর্তাগণ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিবেন।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর হইতে ৩ বৎসর বলবৎ থাকিবে। তবে, এই গঠনতন্ত্র মোতাবেক অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হইবে।

  • মেয়াদ শেষ হইবার ন্যূনপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে পরবর্তী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে। যদি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তবে সভাপতি ১ জন আহ্বায়কসহ ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করিতে পারিবেন। এই কমিটি ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করিবেন। পরবর্তী কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত বলিয়া ঘোষণা দেওয়ার পর অবশ্যই ১৫ দিনের মধ্যে যথাযথ ইনভেনটরি বিবরণসহ দায়িত্বভার প্রদান ও গ্রহণ করিতে হইবে।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির এক-তৃতীয়াংশ সদস্য কার্যনির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা বলিয়া গণ্য হইবে।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থন বা ভোটে গৃহীত হইবে।

  • কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যুনতম ৭ জন মহিলা সদস্যর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হইবে।

  • পদাধিকার বলে সদ্য বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব নবগঠিত কমিটিতে সদস্য পদে বহাল হইবে।

ধারা-২১ *

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য :

  • সভাপতি : ১ জন

  • সহ-সভাপতি (সিনিয়র সহ-সভাপতিসহ) : ৩ জন

  • মহাসচিব : ১ জন

  • কোষাধক্ষ্য : ১ জন

  • যুগ্ম মহাসচিব : ২ জন

  • সাংগঠনিক সচিব : ১ জন

  • সাহিত্য ও প্রকাশনা সচিব : ১ জন

  • সাংস্কৃতিক সচিব : ১ জন

  • প্রচার ও জনসংযোগ সচিব : ১ জন

  • শিক্ষা, ক্রীড়া ও পাঠাগার সচিব : ১ জন

  • দপ্তর সচিব : ১ জন

  • নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য : ১৯ জন

  • পদাধিকার বলে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব : ২ জন

ধারা-২২

কার্যনির্বাহী কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব :

  • শূন্যপদ/নৈমিত্তিক শূন্যপদে সদস্য/কর্মকর্তা নিয়োগ দান;

  • কমিটির মধ্য হইতে নৈমিত্তিক শূন্যপদে কর্মকর্তা নির্বাচন;

  • কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কমিটির ভিতরের অথবা বাহিরের সদস্যদের লইয়া স্টান্ডিং কমিটি ও সাব-কমিটি গঠন; তবে শর্ত থাকে যে, এ ধরনের কমিটি স্টান্ডিং কমিটির বিবেচনার জন্য বিষয়াবলী স্পষ্টভাবে বর্ণিত হইবে এবং ইহাতে এক বা একাধিক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অন্তর্ভূক্ত থাকিবেন; সাব-কমিটির সদস্যদের মধ্য হইতে যেকোন একজন চেয়ারম্যান/আহ্বায়ক হইবেন এবং একজন সদস্য কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে কাজ করিবেন। গঠিত কমিটি শুধুমাত্র নির্ধারিত বিষয়াবলীর জন্যই কাজ করিবে;

  • গঠনতন্ত্র ও বিধিসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রাখিয়া এমন সব ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে, যা গঠনতন্ত্র ও বিধির পরিপন্থি নয় অথচ স্পষ্টভাবে গঠনতন্ত্র ও বিধিসমূহে লিপিবদ্ধ নাই;

  • নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে;

  • হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ করিবে;

  • অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক ইহার সার্বিক উন্নয়ন ও উদ্দেশ্য সফল করার জন্য কাজ করিবে;

  • কার্যনির্বাহী কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা ও জরুরি সাধারণ সভার সময়, তারিখ, স্থান ইত্যাদি নির্ধারণ করিবে;

  • অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় খরচ অনুমোদন করিবে;

  • উপদেষ্টামণ্ডলী ও পৃষ্ঠপোষকমণ্ডলী মনোনীত এবং এর সংখ্যা নির্ধারণ করিবে;

  • অ্যাসোসিয়েশনের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনবোধে বিশেষ উপ-পরিষদ গঠন করিবে;

  • অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করিবে;

  • অ্যাসোসিয়েশনের কর্মচারী নিয়োগ ও নিয়োগের শর্তাদি অনুমোদন করিবে;

  • সকল নতুন সদস্যদের আবেদনপত্র বিবেচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদন করিবে;

  • প্রবেশ ফি এবং জীবন সদস্যদের দেয় চাঁদার হার কার্যনির্বাহী কমিটির সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সভা কর্তৃক নির্ধারিত হইবে;

  • ঢাকায় প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দু’টি জাতীয় দৈনিক (একটি হইবে বাংলা) পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি সাধারণ সভার নোটিশের জন্য যথেষ্ট বলিয়া বিবেচিত হইবে। তবে এরূপ নোটিশে তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ থাকিবে। এই নোটিশ উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হইবার কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে প্রকাশ করিতে হইবে;

  • কার্যনির্বাহী কমিটির নৈমিত্তিক শূন্যপদ ও বিশেষ বৈঠকে সৃষ্ট নতুন পদসমূহ পুরণের ক্ষমতা কমিটির হাতে ন্যস্ত থাকিবে, এভাবে শূন্যপদে মনোনীত/নির্বাচিত সদস্য/কর্মকর্তা পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত স্বীয় পদে আসীন থাকিবেন এবং এর শূন্যপদের বিষয়টি অ্যাজেন্ডাভুক্ত করিয়া কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনের ভিত্তিতে অনুরূপ শূন্যপদ পুরণ করিতে হইবে।

  • তাঁহাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য সুষ্ঠুরূপে সম্পাদনের জন্য উপ-বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে। তবে উক্ত উপ-বিধি গঠনতন্ত্রের সাথে অসামঞ্জস্য এবং অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হইতে পারিবে না। আরও শর্ত থাকে যে, কার্যনির্বাহী কমিটি প্রণীত উপ-বিধি পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করিতে হইবে।

ধারা-২৩

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা :

 

১. সভাপতি :

 

  • অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান হইবেন;

  • তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন; এবং সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করিবেন;

  • তিনি সভার প্রস্তাবাবলী ও সিদ্ধান্তবলী অনুমোদন করিবেন;

  • প্রয়োজনবোধে তিনি গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারা, উপ-ধারার ব্যাখ্যা/সিদ্ধান্ত দিবেন এবং তাহা চুড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে;

  • সমানসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে কাস্টিং ভোট দিতে পারিবেন।

  • জরুরি প্রয়োজনে নূন্যপক্ষে চব্বিশ ঘন্টার নোটিশে যে কোন সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ডাকিতে পারিবেন।

  • অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে যে কোন দায়িত্ব পালন সহ নতুন নতুন গঠনমূলক কর্মসূচী গ্রহন পূর্বক কার্যনির্বাহী কমিটিকে অবহিত করিবেন।

 

২. সহ-সভাপতি :

 

  • সাধারণভাবে সভাপতিকে সার্বিক কাজে সহায়তা করিবেন;

  • সভাপতির অনুপস্থিতিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি অথবা তার অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে সহ-সভাপতিগণ অ্যাসোসিয়েশনের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন;

  • মেয়াদপূর্তির আগে কোন কারণে সভাপতির পদ শূন্য হইলে ক্রমানুসারে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিবেন। সহ-সভাপতিগণের অনুপস্থিতিতে কার্যনির্বাহী কমিটির কোন সদস্যকে উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করার জন্যে নির্বাচন করা যাইতে পারে।

 

৩. মহাসচিব :

 

  • অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন;

  • সভাপতির পরামর্শক্রমে সভার আলোচ্যসূচি নির্ধারণ পূর্বক তিনি অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় সভা আহ্বান করিবেন;

  • সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করিবেন;

  • সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও অডিট রিপোর্ট কার্যনির্বাহী কমিটিতে ও সাধারণ সভায় পেশ করিবেন;

  • সভাপতির পরামর্শক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সরকারি, বেসরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করিবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে প্রয়োজনীয় যে কোন অনুমোদিত দলিল ও চুক্তিতে তিনি স্বাক্ষর করিবেন তবে প্রয়োজন হইলে বিশেষ ক্ষেত্রে সভাপতি এই ধরনের চুক্তি কিংবা দলিল সহ অন্যান্য ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করিতে পারিবেন;

  • সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে বিভাগীয় সম্পাদক ও নির্বাহী সদস্যদের কার্যাবলী সমন্বয় করিবেন;

  • সম্পাদকবৃন্দকে তাঁহাদের নিজ নিজ দপ্তরের কার্যাবলী সম্পাদন করার জন্য উপদেশ ও পরামর্শ দিতে পারিবেন;

  • সভাপতির অনুমোদনক্রমে মহাসচিব অ্যাসোসিয়েশনের কর্মচারী নিয়োগ, বরখাস্ত, বেতন বৃদ্ধি, ছুটি মঞ্জুর ও যৌক্তিক পর্যায়ে শাস্তির ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;

  • নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক রির্পোট/রির্টার্ণ দাখিল করিবেন;

  • কমিটির অনুমোদনক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করিবেন;

  • সভাপতির পরামর্শক্রমে মহাসচিব সাত দিনের নোটিশে কিংবা প্রয়োজনানুসারে জরুরি অন্যান্য সভাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভা আহ্বান করিবেন;

 

৪. কোষাধ্যক্ষ:

 

  • অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করিবেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের জন্য তাহা পেশ করিবেন;

  • নির্ধারিত ব্যাংকে অ্যাসোসিয়েশনের টাকা রাখার বিধিমত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ বার্ষিক রিপোর্ট আকারে সাধারণ সভায় পেশের জন্য সময়মত তৈরি করিয়া দিবেন এবং বার্ষিক অডিট করাইবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করিবেন এবং তাহা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে বাস্থবায়ন করিবেন;

  • সদস্যদের চাঁদা ও অন্যান্য অনুদান আদায়ের ব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন;

  • চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, আদায়কৃত অর্থ ব্যাংকে জমা দেয়ার বই, চেক বই, অ্যাসোসিয়েশনের সকল প্রকার হিসাবপত্র, বিল-ভাউচার ও হিসাব সংক্রান- অন্যান্য সকল কাগজপত্র তাহার তত্ত্বাবধানে থাকিবে;

  • তিনি অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় ব্যয় যথাসম্ভব চেকের মাধ্যমে সম্পাদন করিবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি ব্যয় নির্বাহের জন্য মহাসচিবের জ্ঞাতসারে তিনি সর্বোচ্চ ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা নিজের কাছে নগদ রাখিতে পারিবেন;

  • প্রচলিত হিসাব বিজ্ঞানের সকল আধুনিক হিসাবরক্ষণ নীতি অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে যা কোষাধ্যক্ষ’র তদারকিতে পরিচালিত হইবে।

 

৫. যুগ্ম-মহাসচিব :

 

  • যুগ্ম-মহাসচিবগণ অ্যাসোসিয়েশনের কার্যে মহাসচিবকে সর্বোতভাবে সহযোগিতা ও সহায়তা করিবেন এবং প্রয়োজনে মহাসচিব কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দায়িত্ব পালন করিবেন। প্রত্যেক সভায় কার্য বিবরণীর খসড়া মহাসচিবের নিকট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পেশ করিবেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় অফিস রেকর্ড ইত্যাদি যথেষ্টভাবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। দুই যুগ্ম-মহাসচিবের মধ্যে মহাসচিব কর্তৃক বণ্টনকৃত দায়িত্ব পালন করিবেন;

  • মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করিবেন।

 

৬. সাংগঠনিক সচিব :

 

  • তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক কার্যকলাপ পরিচালনা করিবেন;

  • সভাপতি ও মহাসচিবের সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখিবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকাণ্ড সমপ্রসারণ করার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনকে শক্তিশালী করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে’র অ্যালামনাইদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করিবেন এবং সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালাইবেন;

  • অ্যাসোসিয়েশনের শাখা গঠনের বিষয়ে তিনি মতামত দিবেন ও কার্যনির্বাহী কমিটিতে অনুমোদনের জন্য পেশ করিবেন।

 

৭. সাহিত্য ও প্রকাশনা সচিব:

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সাময়িকী/মুখপাত্র ইত্যাদি প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করিবেন এবং প্রয়োজনে সাংস্কৃতিক সম্পাদকের সাথে সমন্বয়পূর্বক সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করিবেন।

৮. সাংস্কৃতিক সচিব :

অ্যাসোসিয়েশনের সকল বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানাদি, যেমন- সংগীত, নাটক, নৃত্য, ক্রীড়া ইত্যকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন ও কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন।

৯. প্রচার ও জনসংযোগ সচিব :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’র অ্যালামনাইদের মধ্যে অত্র অ্যাসোসিয়েশনের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও চলতি কর্মসূচিসমূহ প্রচার ও জনপ্রিয় করার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান/কর্মসূচির আয়োজন করিবেন এবং এই উদ্দেশ্যে প্রচারপত্র, পোস্টার, লিফলেট ও পুস্তিকা ইত্যাদি প্রকাশের ব্যবস্থা করিবেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের অনুকুলে সকল কার্যক্রম বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের সকল ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিবেন। বিশেষ বাহক মারফত, ডাকযোগে অথবা খবরের কাগজের মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের নিকট নোটিশ প্রেরণ করিবেন।

১০. শিক্ষা, ক্রীড়া ও পাঠাগার সচিব :

শিক্ষা বিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের পাঠাগার সংরক্ষণ ও পরিচালনায় যথাযথ ভূমিকা পালন করিবেন।

১১. দপ্তর সচিব:

মহাসচিবের সাথে পরামর্শক্রমে দপ্তর সম্পাদক অ্যাসোসিয়েশনের সকল দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করিবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের সকল রেকর্ডপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রমের পরিসংখ্যান ও রিপোর্ট তৈরি করিবেন এবং তাহা সংরক্ষণ করিবেন।

১২. কার্যনির্বাহী সদস্য :

 

  • সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দের অনুপস্থিতিতে সংস্থার সভায় উপস্থিত জ্যেষ্ঠ সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।

  • মহাসচিব বা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যগণ অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করিবেন।

ধারা-২৪

কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন :

  • সাধারণ ও জীবন সদস্যদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে কিংবা সর্বসম্মতিক্রমে একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হইবে।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই মাস পূর্বে সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন তিনজন সদস্যের সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করিবেন এবং উক্ত কমিশনের একজন সদস্যকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিয়োগ দান করিবেন।

  • নির্বাচন কমিশন কার্যনির্বাহী কমিটির সহযোগিতায় ভোটার তালিকা প্রণয়ন করিয়া সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করিবেন।

  • নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের অন্তত এক মাস পূর্বে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করিবেন।

  • অ্যাসোসিয়েশনের সকল বৈধ সদস্য ভোটার হিসাবে গণ্য হইবেন। তবে আসন্ন নির্বাচনের অন্তত ছয় মাস পূর্বে যাহারা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত হইবেন, কেবল তাহারাই নির্বাচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন।

  • যে কোন পদের প্রার্থী হইতে হইলে তাহাকে অবশ্যই ভোটার হইতে হইবে।

  • নির্বাচন কমিশনের কোন সদস্যই নির্বাচনে প্রার্থী হইতে পারিবেন না। তবে তাঁহাদের ভোটাধিকার থাকিবে।

  • প্যানেলে যুক্তভাবে অথবা স্বতন্ত্রভাবে যে কোন পদে যে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন। তবে এক ব্যক্তি যুগপৎ একের অধিক পদে প্রার্থী হইতে পারিবেন না।

  • নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের রায়ই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

  • কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হওয়ার কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে নির্বাচন সম্পন্ন করিয়া ফলাফল ঘোষণা করিতে হইবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ২১ দিনের মধ্যে বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটি নব-নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে অডিট ও ইনভেনটরিসহ দায়িত্ব বুঝাইয়া দিবেন।

ধারা-২৫

অনাস্থা প্রস্থাব :

  • কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্থাবের জন্য কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সাধারণ সদস্য লিখিতভাবে সভাপতিকে নোটিশ প্রদান করিবেন। নোটিশ প্রাপ্তির পর সভাপতি সাধারণ সভা আহ্বান করিবেন। এক্ষেত্রে সাধারণ সভায় মোট সদস্য সংখ্যার তিন-চতুর্থাংশ সদস্যের উপস্থিতিতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অনাস্থা প্রস্থাব পাস হইবে।

  • অনাস্থা প্রস্থাব পাস হইলে পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের অথবা শূন্যপদ পুরণের ব্যবস্থা করিতে হইবে।

  • অনাস্থা প্রস্থাবের নোটিশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সভাপতি সাধারণ সভা আহ্বান না করিলে অনাস্থা প্রস্থাব কারীগণ নিজেরাই সাত দিনের নোটিশে সাধারণ সভা আহ্বান করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন। এক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্থাব পাস হইলে উক্ত সভায় কমপক্ষে পাঁচজন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন বা কেয়ারটেকার কমিটি গঠন করিতে হইবে। এই কমিটি ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

ধারা-২৬

পদত্যাগ : কার্যনির্বাহী কমিটির কোন কর্মকর্তা/সদস্য পদত্যাগ করিতে চাহিলে তিনি কারণ উল্লেখ পূর্বক সভাপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পেশ করিবেন। কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবার পূর্ব পর্যন্ত পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করা যাইবে। এ বিষয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চুড়ান- বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা-২৭

অব্যাহতি : কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কার্যনির্বাহী কমিটির কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সদস্য দ্ধারা অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত কাজ বা দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়, তাহা হইলে কমিটি উক্ত কর্মকর্তা ও সদস্যকে নোটিশ দিবেন এবং পরবর্তী কালে দুই- তৃতীয়াংশ ভোটে উক্ত কর্মকর্তা বা সদস্যকে নিজ দায়িত্ব হইতে বা নির্বাহী কমিটি সাধারণ সদস্য পদ হইতে অব্যাহতি দিতে পারিবেন। কার্যনির্বাহী কমিটির কোন সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত হইলে তাহাকে ৭ দিনের নোটিশে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করিয়া তার জবাব প্রাপ্তির পর উপ-কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করিয়া কার্যনির্বাহী কমিটি অব্যাহতির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন। এক্ষেত্রে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সদস্যের কোন প্রকার আপত্তি গ্রহণযোগ্য হইবে না।

ধারা-২৮

বার্ষিক সাধারণ সভার কাজ : বার্ষিক সাধারণ সভায় নিম্নোক্ত কার্য সম্পাদিত হইবে

  • মহাসচিব কর্তৃক প্রণীত ও কার্যনির্বাহী কমিটির দ্ধারা অনুমোদিত বার্ষিক রিপোর্ট বিবেচনা;

  • বিগত বছরের ‘অডিট রিপোর্ট’ বিবেচনা ও হিসাব নিকাশ অনুমোদন;

  • কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক প্রস্থাবিত ও কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত বাজেট অনুমোদন;

  • ধারা-২৪ অনুসারে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ;

  • প্রয়োজনে গঠনতন্ত্র ও বিধি প্রণয়ন, সংশোধন, পরিবর্তন ও অনুমোদন;

  • সভাপতির অনুমতিক্রমে অন্য যে কোন বিষয় উত্থাপন ও আলোচনা।

  • সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সভার সকল সিদ্ধান্ত উপস্থিত ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হইবে। সমান সমান ভোটের ক্ষেত্রে সভাপতি কাস্টিং বা নির্ধারণী ভোট দিতে পারিবেন।

ধারা-২৯

তহবিল : তহবিলসহ সকল সম্পত্তি অ্যাসোসিয়েশনের নামে অর্জিত, স্বীকৃত ও পরিচালিত হইবে এবং তাহা অ্যাসোসিয়েশনের নিকট ন্যস- থাকিবে। বিভিন্ন ব্যক্তি, সংস্থা, সদস্যদের চাঁদা এবং সরকার হইতে অনুদান লইয়া অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল গঠিত হইবে। অ্যাসোসিয়েশনের এই তহবিলের অর্থ কার্যনির্বাহী কমিটি যে কোন তফসিলী ব্যাংক (ব্যাংকসমূহে অথবা ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পে অথবা লিজিং কোম্পানী, প্রতিরক্ষা সঞ্চয়পত্র কিংবা অধিকতর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে) জমা রাখিবেন। তবে, বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সমস্ত তহবিলের অবস্থান অবহিত করিতে হইবে।

ধারা-৩০

তহবিলসমূহ :

  • নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অর্জিত অর্থ বিশেষ তহবিলে জমা রাখিতে হইবে।

  • সকল জীবন সদস্যের চাঁদা ডিউটি তহবিলে জমা হইবে। কার্যনির্বাহী কমিটি চলতি বছরের অর্জিত চাঁদার অনধিক শতকরা ৫০ ভাগ সাধারণ তহবিলে স্থানান্তর করিতে পারিবে (স্থায়ীভাবে অথবা সাময়িক ঋণ হিসাবে)।

  • প্রবেশ ফি, বার্ষিক চাঁদা ও বিবিধ সূত্রে প্রাপ্ত অর্থসমূহ সাধারণ তহবিলে জমা হইবে।

  • জীবন সদস্য ব্যতীত সকল সদস্যকে প্রত্যেক বৎসরের বার্ষিক চাঁদা অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে অগ্রিম প্রদান করিতে হইবে।

ধারা-৩১

বিনিয়োগ: অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে কার্যনির্বাহী কমিটি সমীচিন মনে করিলে ডিউটি তহবিলের টাকা সরকারি সিকিউরিটি, সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোন লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।

ধারা-৩২

ব্যাংক হিসাব পরিচালনা :অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাবসমূহ কোষাধ্যক্ষ এবং মহাসচিব অথবা সভাপতি-এর যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হইবে। কোন কারণে কোষাধ্যক্ষ অনুপস্থিত থাকিলে বাকী দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে চলবে।

ধারা-৩৩

হিসাব নিরীক্ষা : সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সভা কর্তৃক নিয়োগকৃত হিসাব নিরীক্ষকের দ্ধারা হিসাব নিরীক্ষা করাইয়া কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে মহাসচিব কোষাধ্যক্ষ তাহা বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করিবেন।

ধারা-৩৪

গঠনতন্ত্রের সংশোধনী :

  • গঠনতন্ত্র ও বিধি সংশোধনের প্রস্তাব কেবলমাত্র সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভায় অথবা এতদুদ্দেশ্যে আহুত বিশেষ সাধারণ সভায় বিবেচিত হইবে।

  • এরূপ প্রস্তাব কার্যনির্বাহী কমিটি বা যে কোন সদস্য সংশোধনের জন্য উত্থাপন করিতে পারিবেন।

  • কোন সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাব প্রথমে কার্যনির্বাহী কমিটিতে বিবেচিত হইবে এবং কোন সংশোধনী থাকিলে তাহাদের মতামতসহ বিবেচনার জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা হইবে।

  • এই গঠনতন্ত্রের কোন ধারা, উপ-ধারা বা শব্দের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, সংকোচন, সংযোজন বা রদবদলের প্রয়োজন হইলে সাধারণ সভায় উপস্থিত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে তাহা সংশোধন করা যাইবে।

  • সাধারণ পরিষদের সভায় অনুমোদিত সংশোধনী গৃহীত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাহা গঠনতন্ত্রের অংশ হিসাবে গণ্য হইবে।

ধারা-৩৫

বিলুপ্তি : অ্যাসোসিয়েশনের বিলুপ্তির প্রস্তাব সাধারণ পরিষদে অ্যাসোসিয়েশনের তিন-চতুর্থাংশ সদস্যের ভোটে গৃহীত হইলে উক্ত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়ার পর অ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্তি হইবে অথবা যদি ক্রমাগত তিন বছর ধরিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সংখ্যা এত কম হয়, যাহা নির্বাহী কমিটি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়,তবে এসোসিয়েশন অবলুপ্ত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা-৩৬

বিলুপ্ত অ্যাসোসিয়েশনের সম্পত্তি : অ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্ত হইলে, সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অন্য কোন সিদ্ধান্ত না থাকিলে অত্র অ্যাসোসিয়েশনের সকল দায়মুক্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হইবে।

ধারা-৩৭

নির্ভরযোগ্য পাঠ :বাংলায় এই গঠনতন্ত্রের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরেজিতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র

২৬ আগস্ট ২০০৫ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসিত

বিধি-১

অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হইবার যোগ্য এবং ইচ্ছুক ব্যক্তি সদস্যপদের জন্য নির্দিষ্ট ফরমে (“এম” নং ফরমে) মহাসচিব বরাবর আবেদন করিবেন। আবেদনকারীকে অ্যাসোসিয়েশনের একজন সদস্য পরিচয় করাইয়া দিবেন।

বিধি-২*

নতুন সাধারণ সদস্যপদের আবেদনপত্রের সঙ্গে পঞ্চাশ টাকা প্রবেশ ফি ও এক বছরের জন্য দেয় চাঁদা পাঁচশত টাকা প্রদান করিতে হইবে। আজীবন সদস্যদের জন্য প্রবেশ ফি পঞ্চাশ টাকা এবং এক হাজার টাকা চাঁদা জমা দিতে হইবে।

বিধি-৩

কোন সাধারণ সদস্য বার্ষিক চাঁদা ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ না করিলে সদস্য-সুবিধাদি ভোগের অযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন। তবে শর্ত থাকে যে, পঞ্চাশ টাকা পুনঃপ্রবেশ ফি ও বর্তমান বছরের জন্য নির্ধারিত দেয় চাঁদা পরিশোধ সাপেক্ষে সাধারণ সদস্যপদ পুনর্বহাল করা যাইবে।

বিধি-৪

কোন সদস্যের আচরণ কার্যনির্বাহী কমিটির মতে সদস্যপদ বাতিলের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইলে তাঁহাকে তাঁহার সর্বশেষ প্রাপ্ত ঠিকানায় সাত দিনের সময় দিয়া কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠাইতে হইবে। তাহার জবাব (যদি তিনি তাহা দেন) কার্যনির্বাহী কমিটির মতামতসহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করিতে হইবে। সাধারণ পরিষদ কর্তৃক বহিস্কারের সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সদস্য তাঁহার সম্পর্কিত বিষয়ে উপস্থিত থাকিয়া আলোচনায় অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন।

বিধি-৫

একজন সদস্যের সদস্যপদ খারিজ হইলে কোন অবস্থাতেই পরিশোধকৃত কোন অর্থ তাঁহাকে ফেরৎ দেওয়া হইবে না।

বিধি-৬

কোন সম্মানিত সদস্যকে জীবন সদস্যপদ প্রদানের প্রস্তাব কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক বিবেচিত হইতে হইবে ও বার্ষিক সাধারণ সভায় এ বিষয়ে অবহিত করিতে হইবে।

বিধি-৭

পৃষ্ঠপোষক নিয়োগের প্রস্তাব সাধারণ পরিষদের বিবেচনার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক উপস্থাপিত হইবে।

বিধি-৮

সম্মানিত জীবন সদস্য, প্রধান পৃষ্ঠপোষক অ্যাসোসিয়েশনের সভায় যোগদান এবং ভাষণদানের জন্য যোগ্য হইবেন।

বিধি-৯

মহাসচিব সাধারণ পরিষদের সভার অন্তত দশ দিন পূর্বে সদস্যদের নিকট হইতে প্রাপ্ত সকল প্রতাবের নোটিশ কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট পেশ করিবেন এবং এইসব প্রস্তাব কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক বিবেচিত হইলে তাহা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করিবেন।

বিধি-১০

যে কোন সদস্য সভাপতি এবং সাধারণ পরিষদের অনুমতিক্রমে কার্যনির্বাহী কমিটির বিবেচনার জন্য প্রস্তাব আনিতে পারিবেন।

বিধি-১১

কার্যনির্বাহী কমিটি প্রতি মাসে ন্যূনপক্ষে একবার বৈঠকে বসিবে।

বিধি-১২

সভাপতি সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। কিন্তু তাঁহার অনুপস্থিতিতে উপস্থিত জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি এবং যদি তিনি বা সকল সহ-সভাপতি অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য একজন কার্যনির্বাহী সদস্য বিবেচিত হইবেন।

বিধি-১৩

কার্যনির্বাহী কমিটির সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত নির্দিষ্ট খাতায় লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে। সভার কার্যবিবরণী মহাসচিব পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করিবেন এবং সংশ্লিষ্ট সভার সভাপতির অনুমোদন ও স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।

বিধি-১৪

কার্যনির্বাহী কমিটির সকল নির্বাচন সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত নির্ধারিত নিয়মে অনুষ্ঠিত হইবে।

বিধি-১৫

নির্বাচিত হইলে অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণে কাজ করিবেন-এই মর্মে প্রত্যেক নির্বাচিত সদস্যকে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে লিখিত সম্মতি জ্ঞাপন করিতে হইবে।

বিধি-১৬

কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা বা সদস্য অযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন ও তাহার পদ শূন্য হইবে, যদি

  • তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ হারান, অথবা

  • সভাপতি/মহাসচিবকে তাঁহার অনুপস্থিতির কারণ লিখিতভাবে না জানাইয়া পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন।

বিধি-১৭

অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে বা কাজের সুবিধার্থে মহাসচিব কোষাধ্যক্ষের নিকট দশ হাজার টাকা নগদ রাখিতে পারিবেন, তবে শর্ত থাকে যে,

  • বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাসচিব সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম প্রদান করিতে পারিবেন।

  • তবে এই বিধান ডিউটি তহবিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

বিধি-১৮

  • অন্যরূপে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া থাকিলে, মহাসচিব বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে যে কোন একটি বিষয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করিতে পারিবেন।

  • অনুরূপভাবে, বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে একজন যুগ্ম-মহাসচিব অন্যরূপে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া থাকিলে এক বিষয়ে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করিতে পারিবেন। তবে,পরবর্তী কার্যনির্বাহী সভায় উক্ত খরচের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।

বিধি-১৯

ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য চেক-এ স্বাক্ষরদাতাদের নমুনাসহি সভাপতি কর্তৃক অ্যাসোসিয়েশনের সীলমোহরসহ সত্যায়িত হইতে হইবে।

বিধি-২০

ঢাকার বাহিরে কোন স্থানে পঁচিশ জন সম্ভাব্য সদস্য থাকিলে কমপক্ষে পাঁচজনের একটি সাংগঠনিক গ্রুপ শাখা গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবেন। কমপক্ষে পনেরজনের সদস্যভুক্তির পর অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বরাবর স্বীকৃতির জন্য দরখাস্ত করা যাইবে।

বিধি-২১

অ্যাসোসিয়েশনের শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি একজন সভাপতি, একজন সহ-সভাপতি, একজন কোষাধ্যক্ষ, একজন শাখা সম্পাদক,একজন সহকারী শাখা সম্পাদক ও ছয়জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হইবে।

বিধি-২২

অ্যাসোসিয়েশনের একটি সীলমোহর থাকিবে, যাহা মহাসচিবের হেফাজতে থাকিবে।

বিধি-২৩

প্রত্যেক সদস্যকে কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সদস্য-কার্ড বা পরিচয়পত্র দেওয়া হইবে।

বিধি-২৪

  • অ্যাসোসিয়েশনের একটি সদস্য-বহি থাকিবে।

  • মহাসচিব বরাবর লিখিত আবেদন করিয়া যে কোন সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য-বহি পরিদর্শন করিতে পারিবেন।

  • সদস্যদের শ্রেণী অনুসারে, বর্তমান বছরের দেয় চাঁদা এবং বকেয়া দেখাইয়া প্রতি বছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে একটি নতুন সদস্য তালিকা তৈরি করিয়া তাহা পরিদর্শন ও যাচাইয়ের জন্য অফিস খোলার দিনগুলোতে অফিসে রাখা হইবে এবং নির্ধারিত মূল্যে ইহার কপি খরিদ করা যাইবে অথবা ইহা হইতে ব্যক্তিগতভাবে নোট টুকিয়া নেওয়া যাইবে।

  • সদস্য-বহি সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের নোটিশের তারিখ পর্যন্ত পরিদর্শনের জন্য পাওয়া যাইবে।

বিধি-২৫

অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে কোন বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে।


 

পরবর্তীতে গৃহিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সংযোজন, সংশোধনী ও পুর্নবিন্যাস।

প্রথম সংশোধনী

২৮ ডিসেম্বর ২০০৭ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায়

ধারা : ১৫ খ.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় পদাধিকার বলে ডিইউএএ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন। তাছাড়া, প্রো-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয় অ্যাসোসিয়েশনের পৃষ্ঠপোষক থাকিবেন। প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটি অন্য কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারিবেন।

ধারা : ২০ গ.

কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর হইতে ৩ বৎসর বলবৎ থাকিবে। তবে এই গঠনতন্ত্র মোতাবেক অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন এখন থেকে প্রতি বছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ বছরের অডিটেড রিপোর্ট সম্পন্নের ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হইবে । কিন্তু শর্ত থাকে যে, এই সময়সীমা কোনক্রমেই সংশ্লিষ্ট বছরের ৩১ এপ্রিল অতিক্রম করা যাইবে না। নির্বাচন কমিশন সেই অনুযায়ী নির্বাচনে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা সংশ্লিষ্ট বার্ষিক সাধারণ সভায় ঘোষণা করিবেন। নতুন কমিটি অনুর্ধ ২১ দিনের মধ্যে দায়িত্বভার গ্রহণ করিবে এবং পূর্বতন কমিটি সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

ধারা : ২৩ গ.

অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ বার্ষিক রিপোর্ট আকারে সাধারণ সভায় পেশের জন্য জানুয়ারি – ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ বছরের জন্য তৈরি করিয়া দিবেন এবং বার্ষিক অডিট করাইবেন। প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক একটি বিশেষ সময় কালের নিসাব-নিকাশ অডিট করাইতে পারিবে এবং সাধারণ সভায় তাহা পেশ করিতে পারিবে

দ্বিতীয় সংশোধনী

১৯ মার্চ ২০১০ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায়

ধারা : ২০ (জ).

কার্যনির্বাহী কমিটি ২০ ধারা জ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা হিসেবে ১৯ মার্চ ২০১০ তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় উল্লেখিত ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয় যে, সভাপতি ও মহাসচিব কিংবা যে কোন ১ জন অথবা উভয়ে যদি পুনঃনির্বাচনে অংশগ্রহণ না করেন; কিংবা সাংবিধানিক বিধি-বিধানের কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে না পারেন, তা হইলে কার্যকরী কমিটির সদস্য সংখ্যা-৩৩ এর পরিবর্তে ৩৫ জন হইবে। উল্লেখিত ২ জন কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে ১ জন পদাধিকার বলে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ ও দায়-দায়িত্ব পালন করিবেন।

তৃতীয় সংশোধনী

৩ মার্চ ২০১২ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায়

ধারা: ২৯

তহবিল : সময়ে সময়ে অনেক সম্মানিত অ্যালামনাই ও বিভিন্ন সংস্থা কর্ত্তৃক অ্যাসোসিয়েশনের ফান্ডে প্রদত্ত/প্রদেয় অর্থের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা পূর্বক সংশ্লিষ্ট সবাইকে অধিকতরভাবে আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করার লক্ষে সত্তর একটি এন্ডাউমেন্ট ফাউন্ডেশন/ ট্রাস্ট্র গঠন করা হইবে। যাহা একটি ম্যানেজমেন্ট বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হইবে। কার্যনির্বাহী কমিটি প্রস্তাবিত এন্ডাউমেন্ট গঠন প্রণালী, উদ্দেশ্য ও পরিচালনা নীতিমালা এবং অন্যান্য বিষয়াদী চূড়ান্ত করিবে।

ধারা: ৯ (ঘ)

সহযোগি সদস্য :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক কিংবা সংশ্লিষ্ট জীবন সদস্যের স্পাউজ অথবা কার্যনির্বাহী কমিটির বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে প্রয়োজন এমনি কাউকে সদস্যপদ প্রদান করা যাইবে। তবে এমনি কোন সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা ভোট প্রদান করিতে পারিবেন না এবং নির্বাচন সংক্রান্ত কোন কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে পারিবেন না। জীবন সদস্যদের মতো তারাও এককালীন ২৫০০/- (পঁচিশ শত) টাকা সদস্য ফি হিসাবে প্রদান করিবেন।

বিধি: ২

জীবন সদস্য ফি : নতুন সদস্যপদ আবেদন পত্রের সঙ্গে ডিগ্রি প্রাপ্ত সার্টিফিকেটসহ দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো এবং এককলীন ২৫০০/- (পঁচিশ শত) টাকা প্রদান করিতে হইবে। এরূপ নতুন জীবন সদস্যকে একটি ডিজিটাল আইডি কার্ড প্রদান করা হইবে।

চতুর্থ সংশোধনী

২৯ মার্চ ২০১৩ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায়

ধারা – ২১ :

কার্যনির্বাহী কমিটি প্রদত্ত সুপারিশের প্রেক্ষিতে মহাসচিব কর্তৃক বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশকৃত যৌক্তিক ও বাস্তব প্রতিবেদনের প্রতি উপস্থিত সবাই সমর্থন জানানোর প্রেক্ষিতে অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক কর্মকাণ্ডে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের লক্ষে অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্রের ধারা-২১ সংশোধনপূর্বক কার্যনির্বাহী কমিটির সর্বমোট বর্তমান সংখ্যা ৩৩ থেকে ৪১ জনে উর্ন্নীত করা হলো। যা পরবর্তী নির্বাচন অর্থাৎ ২০১৬-১৯ মেয়াদকাল থেকে কার্যকর হবে এবং অ্যাসোসিয়েশনের নিজ স্বার্থে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী নতুনভাবে পদসমূহ পুর্ণবিন্যাস করতে পারবে।

Pin It on Pinterest